রশিদ খান: পাকিস্তানের শরণার্থী শিবির থেকে বিশ্বের সেরা টি-টুয়েন্টি বোলার!

বর্তমান বিশ্বের টি-টুয়েন্টিতে সেরা বোলার রশিদ খান।কিন্তু তার শৈশব যে এতো ভয়াবহ অবস্হায় কেটেছে তা জানলে অবাক হবেন অনেকেই।যুদ্বের ভয়াবহতা এড়াতে শৈশব কাটাতে হয়েছে পাকিস্তানের শরণার্থী শিবিরে। আর তিনিই আজকের ক্রিকেটের সেরা বিজ্ঞাপন! তার জীবন তরী ছুড়ছে রকেট গতিতে। আজ এর তো কাল ওর রেকর্ড ভাঙছেন সমানতালে। হয়তো একদিন নিজের রেকর্ডও ভেঙ্গে ফেলবেন অনায়াসে।

রশিদ খানের জীবনে এমন আরো কিছু ঘটনা রয়েছে যা আমাদের অবাক করে দিতে পারে সবাইকে।আসুন জেনে নিই রশিদ খান সম্পর্কে ১১ টি জানা-অজানা তথ্য-

আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশের জালাবাদে জন্ম রশিদ খানের।

শৈশবে যুদ্ধের ভয়াবহতা এড়াতে পাকিস্তান শিবিরে আশ্রয় নেয় তার পরিবার।
রশিদ খানের পুরো নাম রশিদ খান আরমান।

পাকিস্তান শরণার্থী থেকে ফিরে আসার পর প্রথমবারের মতো টিভিতে পাকিস্তানের খেলা দেখেছিলেন তিনি।

তার প্রথম দেখা ও প্রথম পছন্দের খেলোয়াড় পাকিস্তানের শহীদ খান আফ্রিদি। পাকিস্তান সুপারস্টারের চুলের স্টাইল ও উদযাপন বেশ পছন্দ হয় তরুণ রশিদের। এককথায় আফ্রিদিকে তার আইডল হিসেবে মেনে নেন তিনি।
————————————————
কবিরাজঃ তপন দেব’এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের যাবতীয় গোপন রোগ সহ যে কোন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এবং দেশেও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়।যোগাযোগ”””””””ঢাকা””খিলগাও””মোবাইল””০১৮২১৮৭০১৭০”””””
””””””
টেপ টেনিস বল দিয়েই ক্যারিয়ার শুরু হয় রশিদ খানের। প্রাথমিক পর্যায়ে বাড়ির উঠানে টেপ টেনিস বলে অনুশীলন করতেন।পরে পাড়ার বড় ভাইদের সঙ্গে খেলতে যেতেন।

মাত্র ১৭ বছর বয়সী আফগানিস্তানের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় রশিদের।

রশিদ খানের বল খুব বেশি র্টান না থাকলেও নিখুঁত গুগলিতে প্রতিপক্ষকে কাবু করেন তিনি।

তাকে সবাই লেগ স্পিনার বললেও রশিদের ভাষ্য তিনি আঙ্গুলের সাহায্যে কারিশমা দেখান।

আইপিএল-বিপিএল-বিগ ব্যাশ-কাউন্টি ও সিপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে রশিদ খানের।

কিংবদন্তি সাকলাইন মুশতাককে পেছনে ফেলে কনিষ্টতম বোলার হিসেবে হয়েছেন আইসিসি শীর্ষ বোলার। এছাড়া মিচেল স্টার্ককে ছাপিয়ে হয়েছেন ওয়ানডের দ্রুততম শত উইকেট শিকারী।এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানডেতে ১০০ এবং টি-২০ ক্রিকেটে ৫৬ উইকেট লাভ করেছেন রশিদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*