মা বাচ্চাটির নাকের ভিতর কিছু অদ্ভুত কালো জিনিস দেখতে পেলো, তারপর যা হলো দেখুন ছবিতে…

সেই দিনটি অন্য দিনের মতো ছিল যখন মা, মেগান বাডেন তার বাচ্চা ছেলে জিমিকে খাওয়ানো শুরু করছিলেন। ছেলেটি বিছানায় এমনভাবে শুয়ে ছিল যে তার মা তার নাকের ভেতরটা অনেকটাই দেখতে পাচ্ছিলেন। এটা ছিল অনিচ্ছাকৃত, কিন্তু মেগান জিমির নাকে এমন কিছু দেখতে পেলেন যা তাদের জীবন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়।

মা তার সন্তানের নাক মুছে এবং ভিতরে লক্ষ্য করে কিছু কালো দাগ খুঁজে পান। অন্য মায়ের মতো তিনি চিন্তা করতে লাগলেন এবং সম্ভাব্য উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আগের রাতে এমন কিছু ঘটেছে, হঠাৎ সেটা তার মনে আঘাত করে।
নিউ জার্সিতে বসবাসকারী মেগান রুমে দুটি পূর্ণ আকারের সুগন্ধি মোমবাতি ছিল, যা প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে পুরেছিল।

মোমবাতি কি করল? এই সেই গল্প যা আমাদের সবাইকে জানার প্রয়োজন। যখন তিনি মোমবাতি কিনেছিলেন, তখন আমাদের অধিকাংশ মত সে নিচে উল্লিখিত সাবধানবাণী উপেক্ষা করেছিল; সেখান থেকে সব সমস্যা শুরু।

“একবারে তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পোড়াবেন না। বেশি পরিমাণে মোমবাতিটি পোড়ালে বিষাক্ত পদার্থ, যা কালি তৈরি করে।”
“এই ক্ষুদ্র কণার সাহায্যে করোনারি হৃদরোগ, হাঁপানি, ব্রংকাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসের রোগ হতে পারে। কণিকার এক্সপোজার প্রতি বছর আমেরিকার প্রায় ২০,০০০ মানুষের অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

প্রতি বছর এই ২০,০০০ জনের মৃত্যুর মধ্যে তাদের অধিকাংশই ভুসা কালি সম্পর্কিত সমস্যার কারণে ঘটিত । এটি শ্বাসযন্ত্রের সিস্টেমের বাবস্থ্যা বন্ধ করে দেয় ।
কিন্তু তার সন্তানের নাক থেকে ভুসা কালি অপসারণের পরেও, মেগান এখনও কিছু অবশিষ্টাংশ দেখেছিলেন, কিন্তু এটি এত মারাত্মক ছিল না।

“আমার অভিজ্ঞতা প্রত্যেকের জন্য শেখার জিনিস হতে পারে, বিশেষ করে মায়েরা যাদেরকে তাদের সন্তানদের চারপাশে রাখা এবং ব্যবহার করা সমস্ত জিনিসগুলির সতর্কতা পড়ে ব্যবহার করা উচিত।

সেই দিন যদি সে তার বাচ্চার নাকের দিকে না তাকাত তবে কল্পনা করতে পারে যে, কি পরিমাণে ক্ষতি হতে পারত।
নিয়মিতভাবে আপনার মোমবাতির সোলতে ছাঁটা এবং মাত্র কয়েক ঘন্টা জন্য জালানো উচিৎ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*