পরিসংখ্যানে ব্রাজিল-বেলজিয়াম লড়াই

রাশিয়া বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখোমুখি বেলজিয়ামের ‘সোনালী প্রজন্ম’। আগের চার দেখায় সেলেসাওদের তিন জয়ের বিপরীতে বেলজিয়ামের জয় মোটে একটি। শুক্রবার কাজান অ্যারেনায় বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় শুরু হবে দুই দলের লড়াই।

1. শেষ ১৬টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল। 2.  ২২ ম্যাচ অপরাজিত আছে বেলজিয়াম। ২০১৬ সালে ইউরোর কোয়ার্টার-ফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে শেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ হেরেছিল তারা।

3. টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অপরাজিত ব্রাজিল। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ ড্রয়ে শুরু করে সেলেসাওরা। পরের তিন ম্যাচে ২-০ গোলের একই ব্যবধানে হারায় কোস্টা রিকা, সার্বিয়া ও মেক্সিকোকে।

4. রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত সব ম্যাচে জয় পেয়েছে বেলজিয়াম। গ্রপ পর্বে পানামাকে ৩-০, তিউনিশিয়াকে ৫-২ ও ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারায় রবের্তো মার্তিনেসের দল। শেষ ষোলোয় জাপানের বিপক্ষে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ গোলের জয় তুলে নেয় ইউরোপের দলটি। 5. পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল টুর্নামেন্টের শেষ তিন আসরে দুইবার বিদায় নিয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে।

6. বিশ্বকাপে এর আগে দুইবার কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে বেলজিয়াম। চার বছর আগে ব্রাজিলে গত বিশ্বকাপের শেষ আটে পৌঁছে তারা। এর আগে ১৯৮৬ সালে ফুটবলের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনালে পৌঁছেছিল ইউরোপের দেশটি। কিন্তু ঐ আসরের চ্যাম্পিয়ন দিয়েগো মারাদোনার আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের।

7. তিতের অধীনে ২৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ১৯টিতেই কোনো গোল হজম করেনি ব্রাজিল। বাকি ছয় ম্যাচে মাত্র একটি করে গোল হজম করেছে তারা। 8. এখন পর্যন্ত চলতি আসরের দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১২টি গোল করেছে বেলজিয়াম।

9.  বিশ্বকাপে চারবার পেনাল্টি শুট আউটের মুখোমুখি হওয়া ব্রাজিল জয় পেয়েছে তিনটিতেই। এর মধ্যে আছে ১৯৯৪ সালে ইতালির বিপক্ষে ফাইনালে পাওয়া জয়ও। 10. বিশ্বকাপে নিজেদের একমাত্র পেনাল্টি শুট আউটে জয় আছে বেলজিয়ামের। ১৮৮৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেরা চারে পৌঁছে বেলজিয়ানরা।

11.  রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৪টি শট নিয়েছেন নেইমার যা অন্য যে কোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশি। 12. চার গোল করে টুর্নামেন্টের গোলদাতাদের তালিকায় দুইয়ে আছেন বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড রোমেলু লুকাকু। 13. দুই হলুদ কার্ড দেখায় এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না ব্রাজিলের মিডফিল্ডার কাসেমিরো।

14. ব্রাজিলের নেইমার, ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও ফিলিপে লুইসের একটি করে হলুদ কার্ড আছে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে আর একটি হলুদ কার্ড দেখলে, ব্রাজিল সেমি-ফাইনালে পৌঁছালেও তারা খেলতে পারবেন না। 15.  বেলজিয়ামের কেভিন ডে ব্রুইনে, ইয়ান ভার্টোনেন, তমা মুনিয়ে, ইউরি টিলেমানস ও লিয়ান্ডার ডেন্ডনকার আছেন একই শঙ্কায়।

16.  ১৯৯০ সালের পর থেকে কখনও বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালের আগে বাদ পড়েনি ব্রাজিল। টানা সপ্তমবারের মতো শেষ আটে খেলবে সেলেসাওরা। এর মধ্যে মাত্র দুইবারই হেরেছে তারা (২০০৬ সালে ফ্রান্স ও ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে)।

17. বিশ্বকাপের শেষ তিন আসরেই ইউরোপিয়ান দলের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা (২০০৬ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস ও ২০১৪ সালে জার্মানি)।

18. রবের্তো মার্তিনেসের অধীনে বেলজিয়ামের হয়ে নিজের শেষ ১৮ ম্যাচে ১৯টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন এদেন আজার, নিজে দশটি করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৯টি। 19. ব্রাজিলের হয়ে নিজের শেষ ১৯ ম্যাচে ২০টি গোলে অবদান রেখেছেন নেইমার। নিজে করেছেন ১১টি, সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৯টি।  20. চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত লক্ষ্যে থাকা পাঁচটি শটের চারটিতেই গোল করেছেন বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকু।

21.  ব্রাজিল ও বেলজিয়াম এর আগে চারবার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে। ২০০২ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে সবশেষ লড়াইসহ তিনটিতে জয় সেলেসাওদের। ১৯৬৩ সালে দুই দলের প্রথম লড়াইয়ে একমাত্র জয়টি পেয়েছিল বেলজিয়াম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*