যে কারণে শ্রাবন্তীকে ঘরে তুলবেন না স্বামী!

একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তীর সংসারে ভাঙানের সুর বাজছে। গত ৭ মে স্বামী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আর যৌতুকের মামলা করেছেন শ্রাবন্তী।

২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় শ্রাবন্তীর। এই দম্পতির ঘরে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ৭ আর ছোট মেয়ের সাড়ে ৩ বছর।

গতকাল শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘কেন এমন করছ? দাও না আমাদের মাফ করে। এক ঘর দরকার নাই, কিন্তু এক ছাদের নিচে থাকি আমরা। বাচ্চাদের প্রতি একটু দয়া করো।’

শ্রাবন্তী আরও লিখেছেন, ‘তুমি তো প্রতিজ্ঞা করেছিলে, কখনো ছেড়ে যাবে না। এখন কেন ছেড়ে গেছ? আমাদের বাচ্চাদের ভাঙা পরিবারে বড় হতে দিয়ো না। আমি তোমার কাছে হাত জোড় করে বলছি, আমাদের বাচ্চাদের মানসিকভাবে ভেঙে দিয়ো না।’

খোরশেদ আলম এ ব্যাপারে বললেন, ‘আমি অনেক ছাড় দিয়ে শ্রাবন্তীকে বিয়ে করেছিলাম। ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর আমাদের বিয়ে হয়। আমাদের দুটি বাচ্চা হয়েছে। শ্রাবন্তীর যেসব ব্যাপারে ছাড় দিয়েছি, তা থেকে শ্রাবন্তী এতটুকু সরে আসেনি। এত দিন আমি ব্যাপারগুলো সামনে আনতে চাইনি, কারণ তা আমাদের কারও জন্যই ভালো হবে না। দিনে দিনে আমাদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব অনেক বেড়ে গেছে। পারস্পরিক সম্মান, শ্রদ্ধাবোধ, বিশ্বাস নেই বললেই চলে। যতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা শেষ হওয়ার আগেই আমি সরে এসেছি। আমি চাইনি আমাদের সম্পর্কের ক্ষতিকর প্রভাব বাচ্চাদের ওপর পড়ুক।’

খোরশেদ আলম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। পাশাপাশি তিনি এনটিভির মহাব্যবস্থাপক (অনুষ্ঠান) ছিলেন। কাজ করেছেন চ্যানেল নাইনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*