Categories
Uncategorized

মহানবী (সাঃ) এর এই বাড়ি তীর্থস্থান

বিশ্ব মু’সলমানদের হৃদয়ের তীর্থস্থান ম’সজিদুল হারাম থেকে সামান্য দূরেই রাসুল (সা.)-এর পিতা আবদুল্লাহর ঘর অবস্থিত। সেটি ‘শিআবে আলী’র প্রবেশমুখে অবস্থিত। বনি হাশেম গোত্র যেখানে বাস করত সেটিই ‘শিআবে আলী’ হিসেবে তখন পরিচিত ছিল। আর বাবা আবদুল্লাহর এ ঘরেই প্রিয় নবী মুহাম্ম’দ (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

ম’ক্কায় অবস্থানকালীন সময়ে রাসুল (সা.) এ ঘরেই বসবাস করতেন বলে জানা যায়। যদিও এ স’ম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা প্রমাণ নেই। তবুও ম’ক্কা নগরীতে এটি রাসুল (সা.)-এর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত। ওসমানি শাসনামলে এ বাড়িটি ম’সজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হত।

বর্তমানে রাসুল (সা.)-এর জন্মস্থানে একটি লাইব্রেরি স্থাপন করা হয়। সৌদির বিখ্যাত শায়খ আব্বাস কাত্তান ১৩৭১ হিজ’রিতে ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যয়ে এটি নির্মাণ করেন।

বিজ্ঞাপন

ম’সজিদুল হারামের নতুন সম্প্রসারণ-কার্যক্রমে এই লাইব্রেরিটি অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছে। সম্প্রসারণের নতুন নকশা ও মডেল থেকে যতটুকু জানা যায়, এ স্থানে কোনো স্থাপনা তৈরি না করে খালি ও উন্মুক্ত স্থান হিসেবে রাখা হবে।

Categories
Uncategorized

যমুনা ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সিরাজগঞ্জ সদরে যমুনা ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ০১ লা আগস্ট, রোজ শনিবার বিকালে সদরের বন্যা কবলিত কাটা অব্দা, চায়না বাঁধ ক্রসবার ৩ এর দিকে পানিবন্দি এলাকায় একশ বানভাসী পরিবারের মাঝে এই ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে কোরবানির মাংস ও শুকনা খাবার। যমুনা ফাউন্ডেশন এর প্রধান উদ্যোক্তা ও আহবায়ক সুজন দেব জানান, ‘একদিকে করোনা সংকট এবং অপরদিকে বন্যার আঘাতে এবার অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ কোরবানি দিতে পারেনি।

তাই পানিবন্দি অসহায় কিছু পরিবারকে ‘যমুনা ফাউন্ডেশন’ এর পক্ষ থেকে কোরবানির মাংস ও কিছু শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে’। যমুনা ফাউন্ডেশন এর যুগ্ন আহবায়ক মোঃ জিয়া মুন্সি বলেন, বন্যায় মানুষ এখন প্রচন্ড অসহায় জীবনযাপন করছেন।

অনেকেই কোরবানি দিতে পারেনি এইবার। তাই আমরা ঈদের দিন এমন একটি উদ্যোগ নিয়েছি কিছু অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। ত্রাণ বিতরণ কালে এসময় যমুনা ফাউন্ডেশনের আহবায়ক সুজন দেব, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জিয়া মুন্সি, মোঃ ইমতিয়াজ মিল্লাত, মোঃ শাকিল, সদস্য মোঃ ওমর ফারুক, মোঃ সোবাহান, মোঃ স্বাধীন, মোঃ ইব্রাহিম, মৃদুল সাহা ও প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গম ও চরাঞ্চলের এসব মানুষ ঈদের দিন কোরবানির মাংস পেয়ে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং যমুনা ফাউন্ডেশন কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।